২৭শে জুন, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার, রাত ১১:৫১
নোটিশ :
Wellcome to our website...

অতলান্ত খোঁজ : নিলুফা আকতারের আত্মজৈবনিক অভিজ্ঞা

রিপোর্টার
সোমবার, ২৭ জুন ২০২২, ১১:৫১ অপরাহ্ন

মিল্টন বিশ্বাস

২০২০ সালে পাঠক সমাবেশ থেকে প্রকাশিত নিলুফা আকতারের ‘অতলান্ত খোঁজ’ উপন্যাস সম্পর্কে কথাসাহিত্যিক হাসনাত আবদুল হাই লিখেছেন- ‘এমন কোন বড় উপন্যাস হতে পারে যেখানে কোন চরিত্রের নাম নেই, বর্ণনাকারীও অজ্ঞাতনামা এবং স্থান, কাল, নাম বা সংখ্যা দিয়ে চিহ্নিত নয়? এমন দারুন একটি অভিনব উপন্যাস লিখেছেন নিলুফা আকতার।তাঁর ‘অতলান্ত খোঁজ’ না পড়লে এক বিরল অভিজ্ঞতা বিশালভাবে মিস করবে পাঠক। আত্মতৃপ্ত লেখকরা যদি পড়েন, তারা নড়ে-চড়ে বসতে বাধ্য। নিলুফা আকতার এবং পাঠক সমাবেশকে অভিনন্দন।’

২.

‘অতলান্ত খোঁজ’ উপন্যাসে ঔপন্যাসিক নিলুফা আকতারের আত্মজৈবনিক অভিক্ষেপ আছে, আছে নারীর প্রাত্যহিক জীবনের সংকট ও সংকট উত্তরণের চিত্র। উপরন্তু আছে সমকালীন সমাজ ও রাজনৈতিক বাস্তবতার পরিচয়। যথার্থ মন্তব্য এটি- ‘মানুষ নিজেকে কিভাবে খোঁজে? খোঁজার সময় তার চোখ সমাজ সংসার খুবই গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে।বিশ্বায়নের নিঃসঙ্গতার যুগে একা চলতে চলতে কেন্দ্রীয় চরিত্রটি পৌঁছে যায় এক আলাদা আত্ম-অনুভূতির সন্ধান পায়। ব্যক্তি তার মনের গভীরে, অতলান্তের খোঁজ পায়। ব্যক্তি জীবনের মনের অতলান্ত খোঁজ পেতে অনেকটা অভিজ্ঞতার মতো সাহায্য করবে ‘অতলান্ত খোঁজ’।’ জনৈক পাঠকের আরো একটি প্রতিক্রিয়া স্মরণীয়- ‘উত্তম পুরুষের জবানিতে লেখা এক ভিন্নধর্মী উপন্যাস ‘অতলান্ত খোঁজ’। যেখানে চরিত্রের কোন নাম নেই। সমগ্র উপন্যাস জুড়ে রয়েছে দাম্পত্য জীবনের টানাপোড়নে নারীর গভীর অন্তর্দহন এবং আত্মমর্যাদায় বলিষ্ঠ নারীর সংগ্রামী জীবন। লেখক খুব যত্ন সহকারে অদৃশ্য চাদরে ঢেকে রাখা নারীর ক্ষতগুলোকে একটু একটু করে উন্মোচন করেছেন। মূল কাহিনির ভেতরে একদিকে যুক্ত হয়েছে দেশ বিভাগের ফলে জীবনের বিবর্ণ, ধূসর অধ্যায় অন্যদিকে, পশ্চিমা জীবনের গোলকধাঁধায় ডুবে গিয়ে নারীর বহুবিধ রূপ ও অভিজ্ঞতার স্বরূপ। মায়াবী প্রকৃতিও মুক্তোদানার মতো উপন্যাসের শরীরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে অবস্থান করছে। পাঠক হৃদয়কে বিস্ময়াভিভূত করে এক বিস্ময়সূচক বাক্য দ্বারা যবনিকাপাত ঘটেছে উপন্যাসটির।’

সর্বজন শ্রদ্ধেয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান ‘মুখবন্ধে’ লিখেছেন- `অতলান্ত খোঁজ তার প্রথম উপন্যাস। রচয়িতার বাস্তব পর্যবেক্ষণের সঙ্গে কল্পনাশক্তির সার্থক যোগে এই উপন্যাসটি গড়ে উঠেছে।এতে মানবজীবনের, বিশেষত নারী জীবনের, নানা উত্থানপতনের চিত্র ধরা পড়েছে। সমাজের সঙ্গে ব্যক্তির এবং ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তির দ্বন্দ্বসহযোগসংঘাত এতে রূপায়িত হয়েছে। তার মধ্য থেকেই বেরিয়ে এসেছে জীবন সম্পর্কে তিক্তমধুর উপলব্ধি, গতানুগতিক জীবনাচরণকে অতিক্রম করে এক নতুন ভাবনার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছাবার চেষ্টা।”

উপরে বর্ণিত বিবরণ থেকে সকলে ইতোমধ্যে জেনেছেন ‘অতলান্ত খোঁজ’ নিলুফা আকতার-এর প্রথম উপন্যাস। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপনা দিয়ে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়। নিলুফা ছাত্রজীবনে মেধাবী শিক্ষার্থী, ছোটবেলা থেকেই লেখালেখির সঙ্গে জড়িত। গল্প, কবিতা ও প্রবন্ধ লিখতে ভালোবাসেন।

শিল্পসৃষ্টির মধ্যেই শিল্পী মনের নিবিড়-গভীর আত্মজৈবনিক অনুধ্যানের প্রতিফলন ঘটে। সময় ও সমাজের পরিবর্তনের সাথে এই আত্মানুসন্ধান বিচিত্র রূপে প্রকাশ পায়। মানুষের মনের ভেতর ও বাইরের এই অনুসন্ধান কীভাবে সমাজ-সংসার ও জীবনকে স্পর্শ করে তার চিত্র লেখক আলোচ্য উপন্যাসের পাতায় পাতায় তুলে ধরেছেন। লেখাবাহুল্য,  লেখকের বাস্তব পর্যবেক্ষণের সাথে কল্পনাশক্তির সার্থক রসায়ন ঘটেছে আখ্যানে। এতে মানবজীবনের, বিশেষত নারী জীবনের নানান উত্থান-পতনের চিত্র উঠে এসেছে। সমাজের সঙ্গে ব্যক্তির এবং ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তির সংঘাত রূপায়িত হয়েছে। তার মধ্যে থেকেই বেরিয়ে এসেছে জীবন সম্পর্কে তিক্ত ও মধুর উপলব্ধি, গতানুগতিক জীবনাচরণকে ছুড়ে ফেলে এক নতুন ভাবনার দ্বারপ্রান্তে এসে পৌঁছাবার চেষ্টা করেছেন তিনি। বইটিতে সৃজনশীলতার সাথে লেখকের মেধার সার্থক প্রকাশ  লক্ষ করা যায়। নিজস্ব চিন্তা ও ভাবের অভিব্যক্তি অনন্য।  ‘অতলান্ত খোঁজ’  উপন্যাসে ১৯৪৭ সালের দেশভাগ ও তার জন্য কথকের বন্ধু-স্বজনদের দেশত্যাগের মর্মন্তুদ বেদনার কথা আছে; অন্যদিকে রয়েছে নব্বই দশকের কালপর্বে তাঁর যাপিত জীবনের সংগ্রাম ও সংরাগের আলেখ্য। কাহিনিতে গ্রামীণ জীবনের চেয়ে নাগরিক জীবনে চরিত্রপাত্রের মনস্তাত্ত্বিক সংকট প্রাধান্য পেয়েছে।

এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র  বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতার আগুনে পুড়ে কীভাবে অস্তিত্ববাদের অনন্যতায় পৌঁছে যায় সেই কথাই কাহিনি ও চরিত্রপাত্রের মধ্য দিয়ে পাঠকের সামনে উঠে এসেছে। মানুষ পরিবেশ পরিস্থিতির পথযাত্রায় বার বার নিজস্বতা হারিয়ে ফেলে। তা সত্ত্বেও   নিজের অতীত বর্তমানের মাঝে নিজেকে খুঁজে ফেরে। ভবিষ্যতের আশায় সেই তাৎপর্য খুঁজে পায়। ঔপন্যাসিক তাঁর উপন্যাসে জীবন পর্যবেক্ষণ ও রূপায়ণ করতে গিয়ে চরিত্রের যন্ত্রণা ও রক্তক্ষরণের পাশাপাশি তাঁর স্মৃতি, উপলব্ধি ও নানাবিধ সম্পর্কের মানুষের অন্তর্জগৎকে উন্মোচন করেছেন। বিশ শতকের উপন্যাসগুলোতে দেখা যায় সেই  অনুসন্ধানের চিত্র ছিল অতলান্তিক। মানুষ নিজেকে খুঁজে ফিরেছেন চারিপাশে। এই গ্রন্থে জীবন-জগৎ, সংসার ও নরনারীর প্রেম, আবেগ ও রোমান্টিকতার নতুনত্ব সেই পরিপ্রেক্ষিতে আত্মপ্রকাশ করেছে।

৩.

নিলুফা আকতার ‘অতলান্ত খোঁজে’র কাহিনিতে নারীমনের আত্মউপলব্ধি নিয়ে নিজেকে খোঁজার চেষ্টা করেছেন। নারীর মন নিয়ে এমন উপন্যাস আর কোন লেখক এদেশে লিখেছেন বলে আমার মনে পড়ে না। সত্যিই এটি এক ভিন্ন ধারার উপন্যাস। এই উপন্যসের শুরুটাই হয়েছে ‘আমি কেমন আছি?’ নারী কেমন আছে? এই প্রশ্ন সামনে নিয়ে। তারপর একে একে নারীর মনের ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেছেন লেখক। নারী একা পুরুষহীন বা সঙ্গীহীন । সে একা পুরোপুরি চলতে পারে না বা চলার সাহস পায় না তারই একটা চিত্র ধরা পড়ে এই উপন্যাসে। একাকীত্ব, নিঃসঙ্গতা মানুষকে পুড়িয়ে মারে। তার জ্বালা নারী আরো বেশি অনুভব করে যখন সে বিপদের ঘোর দেখে; কিন্তু সাহায্যের জন্য পাশে কাউকে পায় না। নারীর মনের সাথে সমাজ ও দেশের চিন্তাকে নিলুফা আকতার দেখাতে চেয়েছেন পরিপূরক হিসেবে। সমাজ ও দেশ নারীর মতোই। একাকীত্ব যেমন নারীকে সঠিকভাবে চলতে দেয় না তেমনি সমাজকে এনেছেন গভীর ভাবনার দ্যোতকে। সমাজ যদি অব্যবস্থাপনায় চলে তা সঠিকভাবে বেশিদূর এগোতে পারে না। তাই তিনি নারী ও সমাজকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার জন্য একজন সঙ্গী চান। সমাজে যেমন সমাজ প্রতিনিধিরা আছে তেমনি অস্তিত্ব অভীপ্সায় টিকে  থেকে চলতে নারীও একজন মানুষ চায় যে তাকে ভালোবাসা দিয়ে একসাথে পথ চলবে।

আসলে আত্মজিজ্ঞাসা ও মনস্তাত্ত্বিক ভাবনা নিয়েই এ উপন্যাস।  কথকের মাধ্যমে নর-নারীর মনের কৌতূহল জানার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে কাহিনি সামনের দিকে এগিয়ে চলে।  মনের মিল না হলে কখনো বন্ধন হয় না; আর বন্ধন না হলে কেউ কাউকে আঁকড়ে ধরে থাকতে পারে না। এজন্য দেখা যায় উত্তম পুরুষে বর্ণনা করা সহজ-সরল ভাষায় নারীর মনস্তত্ত্ব, নারী-পুরুষের দাম্পত্য-জীবনের জটিল দ্বন্দ্ব উঠে এসেছে আখ্যানে। ঔপন্যাসিক নর-নারীর মনস্তত্ত্ব বোঝাতে গিয়ে সমাজের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন যে নারীরও একটা মন আছে। তারও জীবন পাখির মতো স্বাধীনভাবে উড়তে চায়। ‘অতলান্ত খোঁজে’ লেখক ধনী-গরিব, নারী-পুরুষের দাম্পত্য জীবনের চিত্র তুলে ধরেছেন মানুষের মনস্তত্ত্ব বোঝার জন্য। ধনী হলেই মানুষ সুখী হয় না আবার গরিব হলেই মানুষের জীবন দুঃখ থেকে রেহায় পায় না। মানুষের জীবনে সুখ, ভালোবাসা একে অপরের বোঝাপড়ায় দেখা দেয়। কথায় বলে জীবন জীবনের মতোই চলে, কারো সুখে কারো বা অসুখে । নিজের সংসার, পিতার সংসার, বন্ধুর সংসার পর্যবেক্ষণ করে নিলুফা আকতার পুরুষকে এমন জায়গায় নিয়ে যেতে চেয়েছেন যে পুরুষকে ‘বিধবা-পুরুষ’ উপাধি দিতেও দ্বিধা করেননি। তিনি নারীকে, নারীর অবস্থানকে বোঝাতে গিয়ে পুরুষতান্ত্রিক সমাজকে তুলে ধরেছেন বেশি করে। আবার কোনো কোনো নারী সেই বিধবা পুরুষ বিবাহ করতে চায় এমন চিত্রও দেখিয়েছেন। রোমান্টিকতা, আবেগ ও বাস্তবতা একীভূত করেছেন নিজের অবস্থানসহ সমাজ ও সমাজের মানুষকে তুলে ধরার জন্য।

নিলুফা আকতার এই উপন্যাসের মূল বিষয় হিসেবেই নর-নারীর সংসার জীবন, নর-নারীর দাম্পত্য জীবন এবং সেইসাথে নর-নারীর সাথে নিজেকে সমাজ ও দেশের মানুষের কাছে তুলে এনেছেন আর সমাজকে দেখিয়ে দিয়েছেন নারীরাও পুরুষের মতো স্বাধীনতা চায়, পাখির মতো উড়তে চায় কিন্তু পারে না, চাইলেই কোন কিছু করতে সক্ষম হয় না । তিনি দেখাতে চেয়েছেন তাদের নিজের কোনো নীড় নেই। তাদের খোঁজ করতে গেলেই তিনি দেখতে পেয়েছেন তারা কারো স্ত্রী অথবা কারো কন্যা। নারীর নিজের বলতে কোনো পরিচয় নেই। তার পরিচয় সে স্বামীর স্ত্রী অথবা মাতা-পিতার কন্যা। এই বিষয়গুলো তুলে আনতে আত্মজীবনকে ব্যবহার করেছেন। মূলত উপন্যাসে তিনি নর-নারীর সম্পর্ক, দাম্পত্য জীবন, কখনো নিজের জীবন, কখনো বন্ধুর জীবন অথবা সমাজের নিম্নস্তরের মানুষের চিত্র তুলে ধরেছেন। বিভিন্ন পেশাজীবী নারীর ভাবনা এবং নারীর ঠিকানা তাঁর কাছে গুরুত্ব পেয়েছে। তিনি নারীর ঠিকানা খুঁজতে গিয়েছিলেন কিন্তু তিনি খুঁজে পাননি।  সেই নিজস্ব ঠিকানা বাবার সংসার এবং স্বামীর সংসারে অবলুপ্ত।

৪.

নিলুফা আকতারের প্রথম উপন্যাস এতো সাবলীল, সহজ যে, তা এক নিঃশ্বাসে পড়া যায়। সত্যিই অসাধারণ উপন্যাস এটি। কোন লেখকের প্রথম উপন্যাস এত সাবলীল হবে, এতোটা অনুভাবনার বিষয় হবে তা না পড়লে কাউকে বুঝিয়ে বলা সম্ভব নয়। উপন্যাসটি গদ্যে লেখা তবে মাঝে মাঝে তিনি অসম্ভব সুন্দর কাব্যময় গদ্য ব্যবহার করেছেন। প্রেম-বিরহ, আশা-আকাঙ্ক্ষা, কাব্যিকতা নিয়ে অজানা এক জগতে তৈরি করেছেন। যেমন একটি বাক্য- ‘গলা অবধি জলে ডুবা শরীর আর মাথা, মুখে পড়ন্ত বৃষ্টির ফোঁটা।’ ভাষার ব্যবহারেও তিনি পারদর্শিতার পরিচয় দিয়েছেন। চরিত্রের সামাজিক অবস্থান অনুযায়ী ভাষা-সংলাপ ব্যবহার করেছেন। শিক্ষিত আধুনিক চরিত্রের মুখে আধুনিক ও পরিশীলিত ভাষা আর অশিক্ষিত গ্রাম্য চরিত্রের মুখে উপভাষা ব্যবহার করেছেন। যেমন- ‘বিবিসাব, আইজ আমার মনটা বড় খারাপ। সোমত্ত মাইয়াডা সোয়ামির বাড়ি থাইকক্যা চইলা আইছে। কইছে আর যাইবো না বাদ্দাইমমার ঘরে।’ এছাড়া উপমা, রূপক ও চিত্রকল্পের সার্থক ব্যবহার আছে বর্ণনায়। যেমন- ‘আয়েশি আরামে ডিমে তা দেওয়া মুরগির মতন  পড়ে রইলাম।’

৫.

মূলত নিলুফা আকতারের আত্মজৈবনিক অভিজ্ঞার অভিব্যক্তি ‘অতলান্ত খোঁজ’।আখ্যানে অভ্যাসহীন প্রেম আর প্রেমহীন অভ্যাসের যাপিত জীবনে নর-নারী সম্পর্কের অতলান্ত খোঁজ বর্ণনাকারীর কুশলি উপস্থাপনে অভিব্যঞ্জিত।পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীর লড়াই, তার প্রত্যহিক জীবনের দুঃখ-বেদনা- যে সমাজে নারীকে শুধু নারীই মনে করা হয়, মানুষ মনে করা হয় না সেই সমাজে নিজের জীবনকে গড়ে তোলার নিরন্তর চেষ্টা, যেখানে ছোট পদ কেন উচ্চপদে আসীন হয়েও একা একা নারীর জীবন কাটানোর সংগ্রাম দুর্বিষহ- এই বাস্তবতাকে মেনে নিয়ে ‘জীবন চলুক সময়ের পথিক হয়ে’ ভাবনায় জারিত করে নিজের অধিকার ও মর্যাদা নিজে আদায় করে নেবার প্রত্যয়ে অগ্রগামী ‘অতলান্ত খোঁজ’-এর কাহিনি ও আঙ্গিক।গ্রন্থটির বহুল প্রচার কাম্য।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর